কম্পিউটার ভাইরাস প্রতিরোধের উপায় -Likhbobd

আসসালামু আলাইকুম




লিখব বিডিতে আপনাকে স্বাগতম । আশা করি সবাই ভালো আছেন। লিখব বিডি নতুন একটি পোস্টে ভিজিট করার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ। আজকের বিষয় হল কিভাবে আপনার কম্পিউটারে ভাইরাস আক্রান্ত হলে তা প্রতিরোধ করবেন।
কয়েকদিন আগে লিখব বিডিতে আরেকটি পোস্ট পাবলিশ করা হয়েছে যেখানে দেখানো হয়েছে আপনার প্রিয় কম্পিউটার বা ল্যাপটপে কি কি লক্ষণ দেখলে বুঝবেন কম্পিউটার ভাইরাস আক্রান্ত হয়েছে। নিচে লিংক দেওয়া হল:
আপনি যদি মনে করেন যে শুধু কম্পিউটারের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় আপনার কম্পিউটার ভাইরাস থেকে সুরক্ষিত রাখবে তাহলে ভুল ভাবছেন । ২০১৮ সাল ছিল ম্যালওয়্যার আক্রমণের একটি বছর। এই ম্যালওয়্যার গুলো ফেসবুক কুয়ারা বড় বড় প্রতিষ্ঠানগুলো কে প্রভাবিত করেছিল।
এছাড়াও এটি বিলিয়ন ডলারের ব্যবসার সাথে ঘুরতে পারে তাই আপনাকে সাইবার হুমকির পাশাপাশি কম্পিউটার ভাইরাস প্রতিরোধ সম্পর্কেও ভালোভাবে জানতে হবে ।আমি এই পোস্টে কম্পিউটারকে ভাইরাসমুক্ত রাখার জন্য ৫ টি টিপস প্রকাশ করলাম। এটি ব্যবহারের মাধ্যমে অনেকাংশ ভাইরাসমুক্ত থাকতে পারবেন।

আজকের পোস্টের সূচিপত্র:

  • সবকিছু আপ টু ডেট রাখুন
  • এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করুন
  • ফায়ারওয়াল ব্যবহার করুন
  • পপ আপ ইনস্টল করুন
  • ইমেইল ফিশিং সাইট থেকে সাবধান
  • ভাইরাস সংক্রমিত লক্ষণগুলো জানুন

সবকিছু আপ টু ডেট রাখুন

কম্পিউটারের কিছু গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ রয়েছে যার মধ্যে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ আপনার সমস্ত সফটওয়্যার সর্বশেষ আপডেট নিশ্চিত করুন।
কেন গুরুত্বপূর্ণ? সফটওয়্যার আপডেট রাখা মানে নতুন কিছু যুক্ত হওয়া তাছাড়াও মাইক্রোসফট ওরাকল ও অন্যান্য নির্মাতারা নিয়মিতভাবে তাদের সফটওয়্যার আপডেট করে থাকে। সফটওয়্যার গুলো থেকে বিভিন্ন সমস্যাগুলোকে সমাধান করতে এবং হ্যাকারদের হাত থেকে রক্ষার জন্য।
উদাহরণস্বরূপ আপনি ৩ বছর আগে থেকে একটি সিস্টেম অপারেটিং ব্যবহার করে করছেন। এই সময়ের মধ্যে একা বিভিন্ন ভাইরাস এবং ম্যালওয়ার তৈরি করে উক্ত সিস্টেমকে হ্যাক করার পদ্ধতি করেছে। এতে আপনার সিস্টেম অপারেটিং টি সহজে হ্যাক করা তাদের পক্ষে সম্ভব হবে।

এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করুন

কম্পিউটার ভাইরাস প্রতিরোধ করার জন্য আমাদের তালিকার পরবর্তীতে রয়েছে এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার। এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ভার্চুয়াল ভাইরাস সফটওয়্যার বিরুদ্ধে কাজ করে। বা ভ্যাকসিন হিসেবে কাজ করে ।
মাইক্রোসফট সিকিউরিটি এসেন্সিয়াল বা অ্যভাস্ট উভয় বিনামূল্য দিয়ে থাকে যার মাধ্যমে ব্যবহার করতে পারবেন।
ফায়ারওয়াল ব্যবহার করুন
এন্টিভাইরাস প্রোগ্রাম ব্যবহার করা মানেই এটি নয় যে আপনার কম্পিউটারে ফায়ারওয়াল আছে।
পিসি বা ল্যাপটপে উভয়ের সাথেই আগে ইনস্টল করা ফাইলগুলো সফটওয়্যার সাথে আসে। এটি নিশ্চিত করুন যে ম্যালওয়ার এবং ভাইরাস থেকে সুরক্ষা প্রদান করতে পারছি কিনা।

পপ আপ ব্লক ইনস্টল করুন

কম্পিউটারের অনেক ভাইরাস আক্রমণ গুলো সাধারণত কম্পিউটারের থাকা ব্রাউজার গুলোর মাধ্যমে ঘটে থাকে। আপনি যখন প্রতিদিনই ইন্টারনেট ব্যবহার করেন হ্যাকাররা ট্র্যাক করার মাধ্যমে আপনাকে ভুল বিজ্ঞাপন বা লিংকে ক্লিক করতে প্ররোচিত করে।
আপনি এই লিংকগুলো লিক করার মাধ্যমে আপনার কম্পিউটারে সংক্রিয়ভাবে তাদের ভাইরাস বা মেলওয়ার প্রবেশ করায় যার মাধ্যমে আপনার কম্পিউটারটি ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে পড়ে ।এছাড়াও পপ আপ ব্লক করার মাধ্যমে বিরক্তিকর অ্যাড গুরু বন্ধ হয়ে যাবে।

ইমেইল ফিশিং সাইট থেকে সাবধান

বর্তমানে হ্যাকাররা হ্যাক বা কম্পিউটারের ভাইরাস বা মেলওয়ার প্রবেশ করাতে যে পদ্ধতি অবলম্বন করছে তার সবচেয়ে জনপ্রিয় পদ্ধতি হলো ইমেইল ফিশিং । একটি বৈধ কোম্পানি কখনোই তাদের ইমেইল অবৈধভাবে ব্যবহার করে না।
যেকোনো বৈধ কোম্পানির ইমেইলের নিজস্ব ডোমেইন এর নাম থাকবে। যদি একটি ইমেইল আপনার মেইলবক্সে আসে তাহলে আগে দেখে নিন এটি ওই কোম্পানির ইমেইল কিনা।
যদি ইমেইলে প্রধান ডিমের সাথে জিমেইল ডট কম yahoo.com ইত্যাদি বিদ্যমান থাকে তাহলে বুঝা যায় এটি একটি স্ক্যাম ইমেইল যেটির মাধ্যমে যেটির মাধ্যমে আপনার কম্পিউটারে ভাইরাস প্রবেশ করতে পারে।

ভাইরাস সংক্রমিত লক্ষণগুলো জানুন

আপনার সর্বোত্তম চেষ্টা মাধ্যমেও ভাইরাস যদি আপনার কম্পিউটারে আক্রমণ করে তাহলে আপনি নিচের পদ্ধতি গুলোর মাধ্যমে শনাক্ত করতে পারবেন যেটির মাধ্যমে আপনার কম্পিউটারে ভাইরাস আছে কিনা।

  • বারবার বার্তা প্রকাশিত হচ্ছে
  • হঠাৎ করে কম্পিউটার বন্ধ হয়ে যাচ্ছে
  • কম্পিউটার স্লো হয়ে যাচ্ছে
  • বন্ধ বা চালু করতে বেশিক্ষণ সময় নিচ্ছে
  • হোমপেজ পরিবর্তন হয়েছে
  • ব্যাটারির চার্জ দ্রুত শেষ হয়ে যাচ্ছে

লক্ষণ গুলি কোন একটি আপনার কম্পিউটারে থাকলে আপনি বুঝবেন আপনার কম্পিউটারটি ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে। এরকম ঘটনা ঘটে থাকলে আপনার সমস্ত সফটওয়্যার গুলো কে আপডেট করুন এবং স্ক্যান করতে থাকুন যদি কোন প্রোগ্রাম বা সফটওয়্যার ভাইরাস আক্রান্ত হয়ে থাকে তাহলে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করুন।

শেষের কথা

আপনার কম্পিউটারের সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ যাতা সাপ্তাহিক বা দৈনিক
ব্যাকআপ করে রাখবেন যাতে গুরুত্বপূর্ণ ডাটাগুলো আপনার কম্পিউটারে ভাইরাস আক্রান্ত না হয়।
পরবর্তীতে কোন তথ্য চুরি বা নষ্ট হয়ে গেলে আপনার আফস্স থেকেই যাবে ে।
আজকে এই পর্যন্তই যদি পোস্টটি ভাল লাগে অবশ্যই কমেন্ট করবেন এবং পরবর্তীতে কিরকম পোস্ট পছন্দ করেন তা আমাদের লিখে জানাবেন।
ধন্যবাদ

Leave a Comment