রাষ্ট্রবিজ্ঞান কাকে বলে? রাষ্ট্রবিজ্ঞানের জনক কে?

 

রাষ্ট্রবিজ্ঞান কাকে বলে? রাষ্ট্রবিজ্ঞানের জনক কে?
অনেকের মনে প্রশ্ন রাষ্ট্রবিজ্ঞান কি বা রাষ্ট্রবিজ্ঞানের জনক কে । আজকের পোস্টের আলোচনার বিষয় হল কিভাবে আপনি রাষ্ট্রবিজ্ঞান কি এবং এর ইতিহাস সম্পর্কে জানতে পারবেন।

রাষ্ট্রবিজ্ঞান মূলত একক ব্যক্তির জীবন ,পরিবার, সামাজিক, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ইত্যাদি সম্পর্কে বিভিন্ন রকম তথ্য নিয়ে গঠিত হয়ে থাকে।

আজকের পোস্টের বিষয়বস্তু:

  1. রাষ্ট্র কাকে বলে?
  2. আধুনিক রাষ্ট্রবিজ্ঞানের জনক কে?
  3. এরিস্টটল এর মতে রাষ্ট্রবিজ্ঞান কাকে বলে?
  4. রাষ্ট্রবিজ্ঞান অনার্স?
  5. রাষ্ট্রবিজ্ঞান কোন বিজ্ঞানের শাখা?
  6. রাষ্ট্রবিজ্ঞান ও অর্থনীতির সম্পর্ক কি?
  7. রাষ্ট্রবিজ্ঞান কে বিজ্ঞান বলা হয় কেন?

রাষ্ট্র কাকে বলে

রাষ্ট্রবিজ্ঞান সম্পর্কে জানার আগে অবশ্যই আপনাকে রাষ্ট্র সম্পর্কে জানতে হবে। অনেকে হয়তো জানেন না রাষ্ট্র কি রাষ্ট্র কাকে বলে? তাই রাষ্ট্র সম্পর্কে নিচে সংক্ষিপ্তভাবে আলোচনা করা হলো।

রাষ্ট্র এমন একটি সংগঠনকে বুঝায় যা কোনো একটি ভৌগলিক এলাকা বা জনগণের নিয়ন্ত্রণ করার সার্বভৌম ক্ষমতা রাখে। রাষ্ট্র সাধারণত অনেকগুলো প্রতিষ্ঠান সমন্বয়ে গড়ে ওঠে যেটি সংশ্লিষ্ট ভৌগোলিক সীমা ভিতরে বসবাসকারী সমাজের সদস্যদের জন্য বিভিন্ন নিয়ম কানুন তৈরি করে থাকে।

আধুনিক রাষ্ট্রবিজ্ঞানের জনক কে

রাষ্ট্রবিজ্ঞান হল এমন একটি বিজ্ঞান যার মাধ্যমে রাষ্ট্র সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে বিভিন্ন আলোচনা করা হয়ে থাকে এবং রাষ্ট্রের কার্যাবলী ও জনগণ এর অধিকার নিয়ে আলোচনা করা হয়ে থাকে তাকে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বলে।

অনেকেই গুগলে সার্চ করেন রাষ্ট্রবিজ্ঞানের আধুনিক জনক কে? রাষ্ট্রবিজ্ঞানের আধুনিক জনক হচ্ছে নিকোলো ম্যাকিয়াভেলি। তিনি রাষ্ট্রবিজ্ঞান সম্পর্কে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে প্রথম রাষ্ট্রের বিভিন্ন সমস্যার সমাধান করেন।

এরিস্টটল এর মতে রাষ্ট্রবিজ্ঞান কাকে বলে

অ্যারিস্টোটল রাষ্ট্রবিজ্ঞানের সুনির্দিষ্ট এবং পরিষ্কার মতবাদ দিয়েছেন। তার প্রখর এবং রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি এবং বিষয় এর পদ্ধতিগত ভাগ করার মাধ্যমে বাস্তবে রাষ্ট্রবিজ্ঞানের একটি ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন। তাহারেই দূরদর্শিতার কারণেই তাকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানের জনক বলা যেতে পারে।

রাষ্ট্রবিজ্ঞান কে বিজ্ঞান বলা হয় কেন

বিজ্ঞান শব্দের অর্থ হলো বিশেষ জ্ঞান। এই জ্ঞান যেকোনো বিষয় হতে পারে যেমন পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন বিজ্ঞান। আবার হতে পারে কোন নির্দিষ্ট বিষয়ে সুসংবদ্ধ যেমন রাষ্ট্রবিজ্ঞান এবং অর্থনীতি। কিংবা হতে পারে সঙ্গীত বিষয়ক জ্ঞান যেমন সঙ্গীত বিজ্ঞান। কিংবা মন বিষয়ের বিশেষ জ্ঞান যেমন মনোবিজ্ঞান। উপরের কথাটি বিশ্লেষণ করলে বুঝা যায় কোন নির্দিষ্ট বিষয়ে বিশেষ জ্ঞান লাভ করা হল বিজ্ঞান। রাষ্ট্রবিজ্ঞান পরলে রাষ্ট্রের উৎপত্তি, বিকাশ ও পরিচালনা করার জন্য জ্ঞান লাভ করা যায় তাই এটাকে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বলা হয়।

পোস্টটি সম্পূর্ণ পড়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ এরকম আরো পোস্ট পেতে আমাদের নিচে কমেন্ট বক্সে কমেন্ট করতে পারেন এবং বিভিন্ন সমস্যার সমাধান করার জন্য লিখব বিডি এর কন্টাক্ট পেইজে যোগাযোগ করতে পারেন।

ধন্যবাদ

Leave a Comment